গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত “জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ৬৪ জেলায় মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এর আওতায় আজ ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এ শেষ হলো পাঁচ দিন ব্যাপী মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ। ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এ গত ১৬ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে শুরু হয়ে আজ শেষ হলো এই পাঁচ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ। প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৪১ জন এই কোর্সের প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। পাঁচ দিনে ছাত্র ছাত্রীদেরকে জাভা ও এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশনে উপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে কর্মশালার শেষ দিকে প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনও তৈরী করেন। প্রশিক্ষণ শেষে সফল প্রশিক্ষনার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়, যা তাঁরা ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন। এই সকল প্রশিক্ষনার্থী একই প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের এ্যাপ্লিকেশন নির্মাণ প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব নজরুল ইসলাম খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর উপাচায© অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, উপ-উপাচায© অধ্যাপক ড. এম আর কবির, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের প্রধান অলক কুমার সাহা প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইএটিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন এবং এমসিসি লি.-এর প্রধান নির্বাহী আশ্রাফ আবির।
পাঁচদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালের ৪১ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। ৩৩ জন সফল শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়। এদের ভেতর থেকে শ্রেষ্ঠ প্রকল্পের জন্য ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর ছাত্র মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান ১ম স্থান অধিকার করেন। ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর উপাচায© অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বিজয়ীর হাতে পুরস্কার হিসেবে সিম্ফনির পক্ষ থেকে একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন তুলে দেন।
পাঁচ দিনের এই প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করে এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা এমসিসি লি.। উল্লেখ্য এই প্রকল্পের অন্য বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইএটিএল। এছাড়া সহযোগী সংস্থা বেসিস, মাইক্রোসফট, গ্রামীণফোন, রবি, নোকিয়া, সিম্ফনি, এসওএল কোয়েস্ট, গুগল ডেভলপার গ্রুপ ঢাকা।

মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন তথা এ্যান্ডোয়েড জগতে বাংলার তরুন ছেলেমেয়েদের প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য,মাগুড়াবিনোদ UISC এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। রশিদ খান তাড়াশ,সিরাজগঞ্জ।
মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন তথা এ্যান্ডোয়েড জগতে বাংলার তরুন ছেলেমেয়েদের প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উদ্যোক্তা ফোরামের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। প্রকল্প নির্মাতাদের জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও অগ্রিম বাসন্তি শুভেচ্ছা।
মাহাফুজ আলম
উদ্যোক্তা
লক্ষ্মীপুর সদর,লক্ষ্মীপুর।
০২ নং দক্ষিন হামছাদী ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র।