গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত “জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি কর্মসূচি” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ৬৪ জেলায় মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এর আওতায় আজ যশোর জেলায় শেষ হলো পাঁচ দিন ব্যাপী মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ। যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গত ১৩ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে শুরু হয়ে আজ শেষ হলো এই পাঁচ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ। যশোর জেলায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের বহু সংখ্যক ছাত্রছাত্রীরা প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৭ জন এই কোর্সের প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। পাঁচ দিনে ছাত্র ছাত্রীদেরকে জাভা ও এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশনে উপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে কর্মশালার শেষ দিকে প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এ্যাপ্লিকেশনও তৈরী করেন। প্রশিক্ষণ শেষে সফল প্রশিক্ষনার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়, যা তাঁরা ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন। এই সকল প্রশিক্ষনার্থী একই প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের এ্যাপ্লিকেশন নির্মাণ প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলংকৃত করেন যশোরের জেলা প্রশাসক জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জনাব জাহিদ হোসেন পনির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়নকারী সংস্থা এমসিসি লি. এর উপ পরিচালক জনাব এফ এম শাহ পারভেজ। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব নজরুল ইসলাম খান স্কাইপের মাধ্যমে ঢাকা থেকে সরাসরি সমাপণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এবং সফল প্রশিক্ষনার্থীদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
পাঁচদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে যশোরে অবস্থিত ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে সর্বমোট ৪৭ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে। এমসিসি লি. এর প্রশিক্ষক জনাব জাহাঙ্গীর কবীর অন্যান্য প্রশিক্ষকদের সাথে নিয়ে প্রশিক্ষণ পরিচালনার কাজ করেন। ৩৯ জন সফল শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয় শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো এ্যাপ্লিকেশন তৈরী করার চেষ্টা করে ২৫ টি প্রকল্প জমা দেন। এদের ভেতর থেকে শ্রেষ্ঠ প্রকল্পের জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম স্থান অধিকার করে। যশোরের জেলা প্রসাশক মহোদয় বিজয়ীর হাতে পুরস্কার হিসেবে সিম্ফনির পক্ষ থেকে একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন তুলে দেন। এছাড়া প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রথম তিন জনকে যশোর জেলাস্থ উৎসব কম্পিউটারে কাজ করার জন্য নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। এমসিসি লি. ও উৎসব কম্পিউটারের যৌথ ব্যবস্থাপনায় নির্বাচিতরা আগামী তিন মাসের জন্য শিক্ষানবীশ হিসেবে কাজ করার এই সুযোগ পাচ্ছেন।
পাঁচ দিনের এই প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করে এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা এমসিসি লি.। উল্লেখ্য এই প্রকল্পের অন্য বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইএটিএল। এছাড়া সহযোগী সংস্থা বেসিস, মাইক্রোসফট, গ্রামীণফোন, রবি, নোকিয়া, সিম্ফনি, এসওএল কোয়েস্ট, গুগল ডেভলপারগ্রুপ ঢাকা।

I want to learn it.